যশোরের কৃতিসন্তান সৌমিক।

অনেকটা ভবঘুরে, ছন্নছাড়া এক ছেলে। যখন যেটা মন চায় সেই কাজটাই করে, পড়াশোনায় ও তেমন একটা ভালো না এক কথায় পড়াশুনার সাথে তার চোর পুলিশ খেলা চলে। তবে সে পড়াশোনা না বাদে অন্য কিছুতে বেশ পারদর্শী যেমন-লেখালেখি, ছবি তোলা, শর্ট ফিল্ম কিংবা বিভিন্ন ছোটোখাটো বিজ্ঞাপনে ডিরেকশন দেওয়া। এছাড়াও তার একটা ছোটো ক্যামেরা দিয়ে যশোর শহরে রাস্তাঘাটে হেটে হেটে ছবি তুলতে পছন্দ করে।

বলছিলাম যশোরের সৌমিকের কথা। যে কিনা অসহায় দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত। এক কথায় বলা যায় তার কাছে কেউ কোনো উপকার চাইলে সে না করে না বরং যথাসাধ্য চেষ্টা করে।

এমন দিনও আছে সে বাসা থেকে সকালে বের হয়েছে বাসায় ঢুকেছে সন্ধ্যায়, বিভিন্ন ভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কারো মুখে খাবার তুলে দেওয়া, রাস্তায় দাঁড়িয়ে মাস্ক বিতরণ করা কিংবা নিজেই সেই অসহায় মানুষগুলোর সাথে খাবার ভাগ করে খাওয়া প্রতিনিয়ত চলতেই থাকে।

কখনো কখনো রাত বেরাতে তার টীমের সহযোদ্ধারা মিলে সারা যশোর ঘুরে বেড়িয়ে শীতে মানুষের কম্বল বিতরণ করেছে।

তার কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আজকে নিম্নবিত্ত কিংবা সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলো কষ্ট করার কারণে আমরা ভালো করে থাকতে পারছি সুতরাং আমাদের ও দায়িত্ব তাদের পাশে থাকা। আর একটা আমার একটা নেশায় পরিণত হয়েছে। কারণ তাদের মুখে হাসি ফুঁটিয়ে তুলতে পারলে এক অন্যরকম শান্তি যা ভাষাই প্রকাশ করা যাবে না। “

তার পরিচালনায় একটা ডকুমেন্টরি ফিল্ম বের হয়েছে
দ্যা রয় চৌধুরী প্যালেস নামে।
এছাড়াও তিনি আরো অনেক কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

ছবিতে “দ্যা রয় চৌধুরী প্যালেস”- এর পরিচালক সৌমিক।