ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ঐতিহ্যের হাটে চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

Must read

ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়া এলাকায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যের হাটের।এ আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে নিজ নিজ জেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্য নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি আশুলিয়ায় একাডেমিক ভবন-৪ এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে কুমিল্লার রসমালাই, টাঙ্গাইলের চমচম, বগুড়ার দই, কাচা মরিচের মিষ্টিসহ হরেক রকম মিষ্টি, চট্রগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার, যশোরের বিখ্যাত ছুই ঝাল, নারায়ণগঞ্জের জামদানী শাড়ী, লক্ষ্মীপুরের গিগজ ধানের মুড়ি আর হরেক রকমের পিঠা-পুলিসহ বিভিন্ন জেলার প্রসাধনী সামগ্রী, হরেক রকম খাবার, বিন্নি চাল, সাতকরাসহ সারি সারি স্টলে জানা অজানা বাহারী পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন শিক্ষার্থীরা। ক্রেতা বিক্রেতার হাক ডাক এ গ্রাম বাংলার চিরাচরিত দৃশ্য ফুটে উঠেছিলো ক্যাম্পাসজুড়ে।

ঐতিহ্যের হাট নামক এই আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিলো পুরো বাংলাদেশের ব্রান্ডিং করা। দেশের সব জেলায় কিছু না কিছু বিখ্যাত রয়েছে এবং তা ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীরা তুলে ধরে সবার মাঝে। জমকালো এই আয়োজনের প্রধান আয়োজক ছিল ডিআইইউ-এর ইনোভেশন এন্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ও বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ।
ড্যাফোডিল গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান ড.মো. সবুর খান, উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর
ড. এস. এম. মাহবুব-উল-হক মজুমদারসহ ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যের হাট পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন করার ঘোষণা প্রদান করেন।

ঐতিহ্যের হাট এ অংশ নেওয়া ৬৪ জেলা থেকে তিনটি জেলাকে তাদের কর্মকান্ডের উপর ভিত্তি করে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এতে প্রথম বিজয়ী হয় তিতাস তীরের জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, ❝নিজ জেলাকে সবার মাঝে তুলে ধরার সুযোগ সত্যিই আমার কাছে অনেক বড় বিষয় ছিলো। আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আসলে তরুণদেরই নেওয়া উচিত। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এভাবে ভবিষ্যতেও নিজ জেলার ব্যান্ডিং করতে আমাদের সহযোগিতা করবে বলে আশা করছি। ❞ ৬৪ জেলার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে প্রতিনিধিত্ব করেন আফজাল হোসেন, জান্নাতুল মাইশা, বায়েজিদ চৌধুরী, কামরুল হাসান।

উল্লেখ্য এ আয়োজনে প্রথম বিজয়ী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে রাবেয়া-গফুর জনকল্যাণ সংস্থা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পক্ষ থেকে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খানকে উপহার দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল প্রফেসর ডাঃ এ কে মাহবুবুল হক (অবঃ) এর লেখা স্মৃতিকথা ও পটভূমি এক নয় ৭১ বইটি।

Latest article